সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জীবনের গল্প: রোজগার

 যার স্বামীর আয় রোজগার নেই, তার কিসের ইদ আর সেহরিতে দুধকলা দিয়ে ভাত খাওয়া। বর্তমান দুধ কলার যা চড়া দাম। বারান্দা দিয়ে রান্না ঘরে যাওয়ার সময় শাশুড়ী মায়ের কথা গুলো মনে বিষাক্ত তীরের মতো করে বিঁধল। সত্যি তাই, মা ঠিকই বলেছে আমার স্বামী তো নিজের চাকরি হারিয়ে পুরোপুরি বেকার, একটাকাও সে রোজগার করতে পারে না।  দু'জন এ বসে বসে খাচ্ছি সংসারে। রোজগার করবে কিভাবে, এতদিন একটা পা ভেঙে বিছানায় পরে ছিল মানুষটা।    চুপ করো মনোয়ারা বলে বাবা ছোট্ট একটা ধমক দিলেন মাকে। চোখের পানি টলমল করছে আমার, একটু দাঁড়িয়ে ছিলাম কথা গুলো শুনে। আর এক মুহূর্ত সেখানে না থেকে ফিরে চলে আসলাম নিজের ঘরে।  মানুষটা এই অবেলায় ঘুমিয়ে পড়েছে, মুখটা নিষ্পাপ লাগছে  দেখতে। আমিও খাটের এক কোণে বসে রইলাম।  রান্না ঘর থেকে বড় ও ছোট ভাবি ডেকে পাঠালেন আমায়।  ইফতার তৈরি করতে হবে, রাতের খাবার রান্না করতে হবে। মোট তেরো জন মানুষ আমাদের পরিবার এ।  . রান্না ঘরে ঢুকতেই বড় ভাবি আমায় দেখে অনেকটা তেড়ে আসলেন আমার কাছে, ভালো করে চোখ মুখ দেখে বললেন ছোট তুই কান্না করছিস।  কি হয়েছে বল আমায়, ছোট ভাবিও কাজ ফেলে ...

গল্প-তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না!

তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না! যে মানুষটা চলে যেতে চায়, প্লিজ তাঁকে যেতে দিন..! জোর করে আর যাইহোক অন্তত  সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যায় না। যায় না মানে যায় না.! ওয়ান সাইডেড গেম যেমন খেলা যায়না, ঠিক তেমনি ভাবে " ওয়ান সাইডেড রিলেশন " কন্টিনিউ করা যায় না। এটা কখনোই পসিবল না..!! হ্যাঁ ওয়ান সাইডেড রিলেশন কন্টিনিউ করা যায় ; তবে সব কিছু একজনকেই করতে হবে, সেটা হোক স্যাক্রিফাইস বা কম্পোমাইজ। তাই কাউকে আটকে রাখবেন না। যে যেতে চাই তাকে নিরদ্বিধায় যেতে দিন, কারণ অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখাতে যাবেন, অবহেলা উপর অবহেলা ছাড়া আর কিছুই পাবেন না। প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেওনা, আমি তোমাকে ছাড়া এক মূহুর্তেও থাকতে পারবো না। ভালোবাসি অনেক,  তুমি যা বলবে তাই করবো তাও প্লিজ আামকে ছেড়ে যেওনা। আপনি এই কথাগুলো ভালোবেসে বললেও, অপরপক্ষের মানুষটা কিন্তু জোকস হিসেবে নিবে, ছ্যাচড়া ভাববে আপনাকে, বার বার নহ হওয়ার দরকার নেই, বার-বার আপনি কেনো নত হবেন, হ্যাঁ যে সম্পর্কে বার-বার আপনাকেই নত হতে হয়, প্লিজ সেখান থাকে অনেক কষ্ট হলেও সরে আসুন। সেল্ফ রেসপেক্ট বলে একটা কথা আছে ওটার মূল্য দিতে শিখুন। শুধু এতটুকু মনে রাখবেন অতিরিক্ত সম্মান, অতিরিক...

গল্প: মা

 মায়ের উপর এক আকাশ রাগ নিয়ে চাচাতো বোন মারিয়া আপুর বাসায় চলে এসেছি সকালে। মন খারাপ ঢেকে আপুর সঙ্গে আলাপ জমে যখন ক্ষীর, ঠিক তখন তার দেড় বছরের ছেলে মাহির কান্না করে উঠলো পাশের রুম থেকে। আপুর সঙ্গে আমিও দৌড়ে গিয়ে দেখি মাহির প্রস্রাব পায়খানা করে জামা কাপড় নষ্ট করে বসে আছে।  আপু আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, 'ছেলেটা না ডায়াপার পরতে চায় না একদমই। পরালেই কান্নাকাটি করে।' মাহিরের জামা কাপড় পরিবর্তন করে মাহিরকে আমার কাছে দিয়ে আপু ওয়াশরুমে গেলো নষ্ট হওয়া কাপড়গুলো পরিষ্কার করতে।  অথচ এই মারিয়া আপুকেই দেখেছি, ছোট বাচ্চাদের থেকে দূরে থাকতে কোলে প্রস্রাব পায়খানা করে দিতে পারে এই ভয়ে।  মাহিরকে কোলে নিয়ে আমি টিভি দেখছি। এমন সময় মা কল করলেন। ফোনের স্ক্রিনে মায়ের নাম্বারটা দেখেই গতকাল মায়ের বকুনিগুলোর কথা মনে পড়ে গেলো। রাগটা আরও বেড়ে যেতেই ফোনটা বন্ধ করে দিলাম। কিছুক্ষণ বাদেই মারিয়া আপু চলে এলে আলাপ আবার জমে গেলো। আলাপের মাঝেই মাহিরের খাবারটা খাইয়ে দেয় আপু।  খানিকক্ষণ যেতে না যেতেই মারিয়া আপুর গায়ে গড়গড় করে বমি করে দিলো মাহির।  আপু চিন্তিত চোখে তাকিয়ে বললো, 'হয়তো বেশি খাওয়ানো ...

ঈদ এসএমএস-Bangla Eid Sms

ঈদ মোবারক স্ট্যাটাস আমরা মুসলিম বছরে আমাদের ২টি আনন্দের দিন, বছরে আমরা ২টি ঈদ পালন করে থাকি,প্রতি ঈদকে কেন্দ্র করে আমাদের কতশতই না আয়োজন,প্রিয়ো জনদেরকে আমরা ঈদের শুভেচ্ছা জানাই,অতীতে আমরা প্রিয়োজন দের বাসায় গিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আসতাম,  কিন্তু এখন ডিজিট্যাল যুগে ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা কবিতা স্ট্যাটাস বিনিময় হয় বেশির ভাগ মোবাইল ফোনে এবং আরো অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক গেজেট দিয়ে। ঈদ মোবারক ছন্দ,কবিতা,স্ট্যাটাস প্রিয়ো বন্ধু যানি এখন ঘুমিয়ে আছো,যখন ঘুম শেষে চোখ মেলে তাকাবে,দেখিবে তখন চারোদিকে হৈচৈ,কতো শত আয়োজন,সে তো আর কিছু নয় সে তো প্রিয়ো দিন,সে তো খুশির দিন, আরে আজ ঈদ!  ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক এস এম এস স্ট্যাটাস  শুভ সময় শুভ দিন, রাত পোহালেই ঈদের দিন! সেমাই চিনি কিনে নিন,রাত ফোরাতেই ঈদের দিন! ঈদ মোবারক! ঈদ গিফট কার্ড,ঈদ পিকচার,ঈদ মোবারক ছবি Eid Card, Eid Gift Car,Download Eid Card PNG আকাশে আকা চাঁদ,অন্দরে আনন্দের বন্যা,রাত পোহালেই ঈদ দিন,তোমাকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক প্রিয়তমা! বাংলা ঈদ এস এম এস ২০২১ ঈদুল ফিতর এস এম এস,বাংলা ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এস এম এস, নতুন ঈদের এস এম...

আমি নেই !! তাতে পৃথিবীর কী ?

 আমি নেই !! তাতে পৃথিবীর কী ? আত্মহত্যা করবো সিদ্ধান্ত ফাইনাল ! কি হবে নিষ্ঠুর পৃথিবীতে বেঁচে থেকে ! যেখানে আমার অস্তিত্বের কোন মূল্য নেই ,চারদিক হতে শুধু অভিযোগ গুলো জমা হয় শূন্য জীবন খাতার পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় ।দুঃখের গ্লানি টানতে টানতে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে , এভাবে আর আগানো সম্ভব না । মনকে নানান ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেও কোন লাভ হলো না ,আর এক মূহুর্ত যেন‌ তর সইছে না ,চলে যাব এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে ।নিথর দেহ নিয়ে শুয়ে আছি বিছানায় ,ঘরের দরজা বন্ধ ! হাতে ঘুমের ওষুধ, টেবিলে বিষ ও ফল কাটার‌ চাকু রাখা ,ফ্যানে‌ একটু টুকরো দড়ি ঝুলিয়ে রেখেছি , ভাবছি কিভাবে অল্প কষ্টে জীবন বাতি নেভানো যায়‌ ........ অবশেষে চোখ বুজে এলো ! আশপাশে কান্নার রোল পড়ে গেছে । বাড়িতে আত্নীয়- অনাত্মীয়দের ঢল‌ শেষবারের মত একবার দেখবে বলে ।মায়ের গগনবিদারী কান্নায় থমকে গেছে চারপাশ । মসজিদে মসজিদে মাইকিং করে আমার শোক সংবাদ প্রচারিত  হলো , গোরস্থানে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করে লোক চলে আসলো ....... ব্যাস‌ !!  সবকিছু কি এখানেই মিটে গেল ? না কিছুতেই না ,এতে চুড়ান্ত পরাজয় ঘটলো তোমার জীবনের ! তুমি যদি অন্...

তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?

 বিস্ময়ে আমি প্রায়ই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করতাম, 'তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?!'  সে হাসতো। ছেলেটা নিয়ম করে তার হৃদয়ভাঙ্গার গল্প শোনাতো আমায়।কী সুনিপুণ ভাবে জনৈক ভদ্রমহিলা তার প্রেমিক হৃদয়টিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিলো।আমি তার সব কথাই ভারী মনোযোগ দিয়ে শুনতাম, খুব ভালোবাসতাম তো.. তাই বোধহয়। তার পুরনো দুঃখ, নতুন ব্যর্থতা,  সমসাময়িক দোটানা এবং হঠাৎ হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা পাগলামি, প্রতিটা কথাই আমায় বাধ্য করতো নতুন করে তার প্রেমে পড়তে।  তবুও, সে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আমায় একটি নারীর কথা বলতো।একটি নারী, যে নারী আমি নই, যে নারীকে সে বরং ভালোবেসেছে, ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে গেছে, যে নারীকে নিয়ে সে জীবন কাটাতে চেয়েছিলো৷ এমন একটি নারী, যে আমি নই, যে কখনো আমি হবো না।  আমি সব শুনতাম, কখনো অন্যমনস্ক হয়ে, কখনো খুব বিরক্ত হয়ে, কখনোবা ভীষণ কান্না চেপে রেখে।  সে বলতো, আমি খুব সাবধানে চোখের জল মুছতাম, যাতে সে না বোঝে, যাতে সে না জানে।  আর ভাবতাম, এমন পুরুষকে যে নারী ভালোবাসতে পারেনি, সে কি এই ধুলোভরা মর্ত্যের কেউ, নাকি দেবী?  তাকে আমি পাইনি, নতুন করে তা বলার অপেক্ষা বোধ করি রাখে...

কে তুমি? নিজেকে চিনো-নিজেকে জানো(অনুপ্রেরণা ও সফলতার গল্প)

 ব্যার্থতায় জরাজীর্ণ, হতাশায় ক্লান্ত পথিক , অশান্ত মনে হেরে যাওয়ার আহাজারি ,ভেঙে খান খান হয়ে যাওয়া ভাংচুর হৃদয়ে অপদার্থের ট্যাগ লাগিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছো ... তাই তো  লাভ নাই ..!  লাভ নাই  এই পরিস্থিতিতে দাঁড়ানোর জন্য দায়ী তুমি নিজেই , দায়বদ্ধতা তোমার নিজের , নিজেই নিজেকে ছোবল মেরেছো বিষাক্ত ভাবে , রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ কাঁপন ধরিয়ে তোমাকে রিভেঞ্জ হিসেবে ফিরিয়ে দিচ্ছে , তোমার সাথে তোমার নিজেকে করা অবহেলা গুলো , এটা তুমি মানলে ও সত্যি না মানলে ও সত্যি ..!! আমি ডি মোটিভেট করতেছিনা তোমাকে , তবে তুমি নিজেকে না যতক্ষন নিজে মোটিভেট করতে পারতেছো তুমি নিজেকে কখনোই গুছিয়ে নিতে পারবে না ..!! গত কাল কি করেছো ,তারফল আজ অথবা পরশু পাবে , যদি সেটা ভালো হয় ভালো খারাপ হলে খারাপ ..!! তবে তুমি চাইলে আজ ভালো কিছু করে কাল ভালো কিছুর প্রত্যাশা করতেই পারো ..!! প্রতিটি মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করার স্পেসিফিক পাওয়ার নিয়ে জন্মায় , তুমি সেই পাওয়ার ইউজিলাইজ না করলে তুমি কখনোই নিজেকে এই মানসিক ডিপ্রেশন থেকে বের করতে পারবা না ..!  একটাই ওয়ে একটাই রাস্তা , নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি ...

কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন !

 কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন ! ভালোবাসা একটি দুরন্ত ঘোড়া । কখন ঘোড়াটি চলতে শুরু, বোঝা যায় না । কোথায় যাচ্ছে, তাও বোঝা যায় না । তারপরেও মানুষ ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে । একটু বেশি করে বললে মানুষ পড়তে চায় । ভালোবাসার শুরু পরিবারের বন্ধন থেকে । বড় হতে হতেই এটি পাওয়ার জন্যে মন মস্তিষ্ক উম্মুক্ত হয়ে থাকে । চাইলেই এটি চাওয়া থেকে যেমন আমরা বের হতে পারি না, তেমনি এটির ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে যেতে একই মন আবার ছুটতে থাকে বিপরীত মুখে । এতো কিছুর পরেও মানুষ ভালোবাসতে চায়, ভালোবাসা পেতে চায় । কিন্তু কি করে বুঝবেন, আপনি সত্যিই কেউকে ভালোবাসেন ! একেকজনের পরিস্থিতির ধরন একেক রকম হলেও আপাত ভাবে কিছু কমন বৈশিষ্ট্য থাকে, যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনি ভালোবাসার জালে পড়ে গেছেন নাকি ভালবাসা আপনাকে জালে ফেলেছে !  এক. ভালোবাসার কোনো কারণ নেই, ভালোবাসার কোনো কারণ থাকতে নেই । ভালোবাসার কারণ খুঁজতে নেই । ভালোবাসেন, এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ । কেন ভালোবাসেন, কারণ জেনে গেলে গেলে ওটা ভালোবাসা নয় । কারণ জেনে গেলে - হয় মানুষটিকে পছন্দ করেন অথবা মানুষটির সাথে সময়টি সাময়িক ভোগ করেন !  দুই. ভালোবাসার মানুষের চোখ...

ভূতের গল্প-অভিশপ্ত কালো রাত

 বাসররাতে যখন একজন স্বামী জানতে পারে তার সদ্য বিয়ে করা বউ মানুষ নয়, একটা ভয়ংকর পরী তখন তার কি করা উচিত ভেবে পায়না আহিন।  রুমের সোফার এক কোণে ধপাস করে বসে পড়ে সে। আড়চোখে একবার মেয়েটার দিকে তাকাল, মেয়েটা দিব্যি সিলিং ফ্যানের উপর বসে পা দোলাতে দোলাতে চোখ বড় বড় করে আহিনের দিকে তাকিয়ে আছে। আহিন ঢক গিলে শক্তকন্ঠে মেয়েটির দিকে প্রশ্ন করে, " আপনি কি আমার সাথে মজা করছেন? আপনি সত্যি ই পরী?" মেয়েটা বিকট শব্দে হেসে উঠল। অনেকক্ষণ ধরে হাসল যেন সে এমন মজার কথা আগে কখনো শুনেনি। আহিন এই হাসিতে কিছুটা বিরক্তবোধ করছে। মেয়েটা হাসি থামিয়ে বলল, " বুদ্ধু আমি যদি পরী না হতাম তাহলে সিলিং ফ্যানের উপর বসে পা দোলাতে পারতাম!" বলেই আবার নিজের মত হাসতে লাগল। আহিন টেনশানে এক হাতে নিজের চুল ছিড়তে শুরু করে ভাবল, " ঠিক ই তো, মেয়েটা যদি স্বাভাবিক মানুষ হত তবে কি সিলিং ফ্যানের উপর বসে পা দোলাতে পারত।" আহিনের মনে হচ্ছে সে একটা ঘোরের মধ্যে আছে, তাই সামনে যে ব্যাপারটা ঘটছে সেটা বিশ্বাস করতে পারছেনা। মেয়েটা হাসি বন্ধ করে আহিনের দিকে তাকাল, আহিন তখনো মেঝের দিকে তাকিয়ে চুল ছিড়তে ব্যস্ত।  "কি এ...

কষ্টের এসএমএস-কষ্ট এসএমএস-ভালবাসা কষ্টের এসএমএস Sms

01.দূরত্ব বলতে ওইটুকুই, সীমান্তে কাঁটাতার... তুমি সুর হলে,সঙ্গ দিতে- আমি হবো সেতার... 02.নিজের চিৎকার নিজে গিলে ফেলার নামই হচ্ছে সহনশীলতা! 03.ভালোবাসার মানুষ' জীবনে আসার চেয়ে 'ভালো রাখার' মানুষ আসাটা অতন্ত্য জরুরি! 04.যে কোনোদিন দেখেনি তোমার হ্মত শোনেনি তোমার গল্প। তাকে একটা আকাশ দিলেও বলবে, এখানে তারা কেন এত অল্প? 05.বাহিরটা সংযত ভিতরটায় কত ক্ষত, কেউ দেখে না কারো দুঃখবিলাস, কিছু মানুষ বাহিরে বাচেঁ ভিতরে মরে প্রতিনিয়ত! 06.পরিচয় থেকে পরিনয়, প্রত্যাখ্যানেই যত ভয়। 07.কোথা হতে এসেছিলাম কোথায় চলে যাবো । এ জগতের সুখগুলো কি সেই জগতে পাবো ! 08.শূন্যতা কি আর পূর্ণতৃপ্তি পাবেনা..!! তবে কি জীবন চলেই যাবে এভাবে. 09.মন থাক আড়ালে মাঝে মাঝে ছুটে আসা-জানি হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় না ভালোবাসা 10.যার চোখে যারে__ লাগে রে ভালো ! সে যে আঁধার রাতের, একশো তারার আলো। Best Romantic Love Sms,Bangla love sms 11.মানুষের জীবন বিদ্যুতের মত মাঝে মাঝে আমরা জানি না কখন এটা উজ্জ্বল করতে কোন বাধা আসে 12.দুরে গেলে নাকি ভালোবাসা বাড়ে শুনছি কিন্তু এখন দেখছি দুরে গেলে মানুষ আগের মতো থাকে না পরির্বতন হয়...

যে ছেড়ে যায়,সে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েই ছেড়ে যায়- Best Facebook Status

  যে ছেড়ে যায়,সে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েই ছেড়ে যায়।আর ছেড়ে যাওয়াটা একদিন দুদিনের হুটহাট করে সিদ্ধান্ত নেবার ফল নয়,বরং এটা বহুদিন আগের পরিকল্পনা। ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর খুব কাছাকাছি থেকেও কখনই বোঝার উপায় থাকবেনা, মানুষটা একসময় আপনাকে চিরতরে ছেড়ে চলে যাবে।যাবার সময় আপনার উপর কিছু দোষারোপ,নয়তো বড় কোন একটা অজুহাত দেখিয়ে চলে যাবে।যা আপনার কল্পনাতীত।অজুহাত,দোষারোপ,কোনটাই নয়!মূল কথা, মানুষটা আপনার থেকেও ভাল কিছু ডিজার্ব করে,নয়তোবা পেয়ে গেছে।। ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য কখনই অপেক্ষা করতে নেই।কেননা তারা নিজেকে সাজিয়ে নিয়েই আপনাকে ছেড়ে দিয়েছে।যদি ভেবে থাকেন,মানুষটা একদিন ফিরে আসবে,বা সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে,তাহলে আপনি এখনও সেই বোকাটিই রয়ে গেছেন।কোনকিছুই ঠিক হয়না,কোনকিছুই ফিরে আসেনা।এই সত্যিটাকে মেনে নেবার মনোবল রাখুন।যা হারিয়ে গেছে,সেটা ভেবে নিজেকে অস্বস্তিতে রাখা বন্ধ করুন।একটাবার ভাবুন,গভীরভাবে ভাবুন,যে আপনাকে ছেড়ে গেছে,সে তো ভাল থাকার জন্যই ছেড়ে গেছে,এবং ভাল থাকছেও।তাহলে আপনি কেন ভাল থাকবেন না?আপনি কেন নতুন করে শুরু করতে পারবেন না? কেউ কারো জন্য থেমে থাকেনা,কেউ কারো জন্য মরে যায়না!যারা কারোর জন্য ন...

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২

  গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট-1 নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি আমিঃ ওই মেডাম এইটা আপনার বাবার মতো এসি লাগানো বাড়ি না বুঝলেন এই খানে শুয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে চাঁদ দেখা যায়। দাঁরা আনছি। নিধিঃ ওই কি আনবি নাম বল। আমিঃ আগে আনি তারপর দেখিস। ও দাদু কই গেলা্… দাদুঃ কে রে ডাকে? আমিঃ দাদু আমি তন্নয়। দাদুঃ ওহহ কতদিন পর আসলি ভিতরে যা। আমিঃ যামুনা ১০০ টাকার ফাটাফাটি কয়টা নিয়া আসো তারাতারি। দাদুঃ হুম এই নে ধর। আমিঃ ধরো এই নাও টাকা। দাদাঃ এইটা কে রে আগে তো দেখি নাই। আমিঃ এইটা পরী। উঁরে যাওয়ার সময় আমারে দেইখা নেমে আসছে, আর আমি তোমার জিনিস খাওয়াইতে নিয়া আসছি হি হি। দাদুঃ এইখানে কেন নিয়ে আসছস, রাতে যায়গাটা ভালো না তুই তো জানিস। আমিঃ দুর তুমি টেনসন কইরো না আমি তো আছি নাকি। দাদুঃ আচ্ছা ভালো করে থাকিস। আমিঃ হুম হুম গেলাম। দাদুঃ কোন সমস্যা হলে আমার এই খানে আসিস। নিধিরে নিয়া চলে আসলাম নদীর ধারে বসে পড়লাম। আমিঃ নিধি বেগম এইবার চোখ বন্ধ করেন। নিধিঃ কেন? আমিঃ আরে করো না প্লিজ। নিধিঃ আচ্ছা। আমিঃ চোখ খুলেন এইবার। নিধিঃ ঐ কি এগুলা? আমিঃ সন্দেশ আমার অনেক ভালো লাগে,...

প্রতিশোধময় ভালোবাসা

 সামান্য একটা ভুলের কারণে যখন বিয়ে বাড়ির সবার সামনে ষোল বছরের একটা কিশোরী মেয়ে আমার গালে থাপ্পড় মারল তখন আমারও মন চাইলো ওই সুন্দরী কিশোরী মেয়েটার দুই গালে দুইটা থাপ্পড় মারি। কিন্তু আমি পারলাম না কারণ বিয়েটা আমার বড় বোনের। আমি চাই না আমার কারণে আমার বোনের বিয়েতে কোন সমস্যা হোক। তাই আমি কিছু না বলে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। খাওয়া শেষে যখন সবাইকে পায়েস দিচ্ছিলাম তখন ওই মেয়েগুলোর টেবিলে কেউ একজন পায়েস দিতে বলে। আমি তাদের টেবিলে যখন সবাইকে পায়েস দিতে যাব ঠিক তখনই পেছন থেকে কেউ আমাকে ধাক্কা দেওয়ার কারণে আমার হাতে থাকা পায়েসের ডিসটা মেয়েটার ওপর গিয়ে পড়ে। আমি সরি বলার আগেই মেয়েটা আমাকে চড় মেরে বসে। আমার তখন প্রচন্ড রাগ হল,মনে হলো মেয়েটাকে কাছে টেনে এনে কয়েকটা থাপ্পড় মারি তারপর ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেই। কিন্তু পরক্ষনেই মনে হল এটাতো আমারই বোনের বিয়ে। তাহলে আমাকে তো একটু নত হতেই হবে। তাই থাপ্পড় খেয়েও চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম আমি। কিছুক্ষণের মধ্যেই অনেক মানুষ জড় হয়ে গেল। আপু চলে আসল,জিজ্ঞেস করল কি হয়েছে? আমি সব বললাম। আপুর কথায় জানতে পারলাম এই মেয়েটা আপুর ননদ। যার সাথে আপুর বিয়ে হচ্ছে তাঁর ছোট বোন...

জীবনের গল্প-বিশ্বাসঘাতকতার শহরে।

 আমার আম্মু যখন বাবার বিপত্নীক বন্ধুর সাথে পালিয়ে যায় তখন আমার বয়স ৭বছর, আমার নাম চয়ন।আর আমার বড়  বোন চারুর বয়স ১২বছর,আমি তাকে চারুবু বলেই ডাকতাম, যদিও শুনতো না কারন ও ছিলো বাক প্রতিবন্ধি, কথা না  পারতো বলতে  আর না পারতো  শুনতে। জীবনে একটা পুরুষ মানুষকে আমি খুব কাদতে দেখছি কিন্তু তা সবার আরালে। সবার সামনে ঠিক থাকলেও আরালে সে কাদতো সবাই যখন গভীর ঘুমে হারিয়ে যেতো সে তখন পুরোনো স্মৃতিকে আকরে ধরে কাদতেন, আর সে হলো আমার বাবা। বেসরকারি একটা প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন বলেই একটু সুনাম ছিলো।মাইনে বেশি না থাকলেও সুনামটা বেশ ছিলো, সবাই মাস্টার বলেই ডাকতো, আর মানুষটাও নিত্তান্তই ভদ্র লোক ছিলেন,তাই সবাই সম্মান করতো কিন্তু যখন আমার আম্মু পর পুরুষের সাথে পালিয়ে গেলো তখন আমার আব্বুর সন্মান মাটির সাথে মিশে যায়,যা নয় তাই বলতো সবাই।মা নিজের পদ তলে বাবা সারা জীবনের অর্জিত সম্মান পিসে নিজের প্রেমিকের সাথে চলে যায়, সে ভাবেনি যে তার দুটি সন্তান আছে, তার সাজানো গুছানো একটা সংসার আছে। বাবার কাছের যারা প্রাইবেট পড়তে আসতো কেউ এখন আর আসেনা,কারন তার বউ চলে গেছে সে খারাব।কেউ এটা ভাবেনি ...

আবেগি ফেসবুক স্ট্যাটাস,আবেগি কষ্টের স্ট্যাটাস,বাংলা কষ্টের স্ট্যাটাস

 তোমার কণ্ঠস্বর তোমার সরলতা নিঃশব্দে এখনো মিশে আছে আমার চারপাশে,সেটা কেবলই শুধুই আমিই শুনতে পাই,পৃথিবী যখন ঘুমিয়ে যায় তখন।তোমার ঠোঁটের পাগল করা হাসি আর বোবা স্মৃতিগুলো এখনো যেন ছড়িয়ে ছিড়িয়ে আছে আমার চার দেওয়ালে। আর তোমার শরীরের ঘ্রাণটা হিমেল বাতাসে রোজ ভেসে আসে,তখন আমি অনুভব করি তুমি পাশে থাকার,তোমাকে ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটা আমার এখন গেলোনা,তাই যেদিকে তাকায় শুধুই তোমাকেই দেখতে পাই।  বর্ষার অভিমানি রাতে এখনো যেন উড়ে আসে তোমার এলোমেলো চুল,মেঘাচ্ছন্ন বিকেলে আকাশের দিকে তাকালেই মনেহয় যেন তোমার ছায়াটা আমার কাছে এসে ঘুরপাক খাই,তখন আমি অবাক হয়ে শত কষ্ট মেনে নিয়ে কি রকম যেন হয়ে যায়। শরীরের বিশাল ব্যাধিটা হয়তো কোনো এক মেডিশিনে একটি সময়ে এসে সেরে যায়,কিন্তু তোমাকে ভুলে যাওয়ার ব্যাধিটা আমাকে বিরতি দিচ্ছেনা আমার অনুভূতি হতে। তোমাকে ভুলে যেতে চেয়েছিলাম বলে আরো বেশী জড়িয়ে যাচ্ছো আমার নিঃশ্বাসে,তবুও তো তোমাকে খুঁজেই পাচ্ছি না,শুধুই তোমার স্মৃতিটুকু স্পর্শ করে হৃদয়টাকে প্রতিনিয়ত মানিয়ে রাখছি। তোমাকে ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটা আমার এখন গেলোনা,তাই যেদিকে তাকায় শুধুই তোমাকেই দেখতে পাই।

ভালবাসার এসএমএস, ভালবাসার Sms, ভালোবাসার Sms, ভালোবাসার এসএমএস

01.অনেক প্রতিক্ষার পর বৃষ্টির দেখা পেলাম! ঠিক যেমন টা তোমার জন্য অপেক্ষা করে পেতে হতো! আজ অনেক টা সময় পেরিয়ে গেলো তবুও তোমার দেখা মিলে না! বৃষ্টি তো তাও এলো, কিন্তু তুমি? শত অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বৃষ্টি তার দেখা দিলো! একই শহরে থেকেও তোমার দেখা মিললো না! বৃষ্টি তার কথা রেখেছে, 02.আমি তার যে আমার, কিন্তু আমি যে কার কে যে আমার তাইতো এখনো জানতে পারলাম না। 03.মানুষটা একটু বেশি বেশি সন্দেহ করে? যদি এটাকে খারাপ দিক মনে হয়, ভেবে নিন- পৃথিবীতে কোনো মানুষই পুরোপুরি পারফেক্ট না। মানুষটার গায়ের রং একটু কালো? ভেবে নিন- পৃথিবীতে কোনো মানুষই পুরোপুরি পারফেক্ট না। মানুষটার হাইট একটু কম? কিংবা একটু মোটা? ভেবে নিন- পৃথিবীতে কোনো মানুষই পুরোপুর! 05.ভালোবাসার মানুষটা পারফেক্ট না হলেও পারফেক্ট করে নিতে হয় কিংবা পারফেক্ট ভেবে নিতে হয়। মেনে নিতে হয়- পৃথিবীতে কোনো মানুষই পুরোপুরি পারফেক্ট না। তবু যদি এই সহজ সত্যটা মেনে নিতে না পারেন, তবে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুন- আপনি কি পুরোপুরি পারফেক্ট? আশা করি উত্তর পেয়ে যাবেন। 06.তুমি নিঃশ্বাস নিচ্ছো, অথচ তাঁকে স্মরণ করছো না! তবুও তিনি তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বিষ্...

ভালবাসার এস এম এস-রোমান্টিক এস এম এস

Bangla romantic Love Sms, Unlimited Love Sms 01. চেহারায় ময়লা রেখে আয়না পরিস্কার করে কি হবে, নিজে বদলাও জীবন নয়! তবেই পুরো দুনিয়া বদলে যাবে। 02.কেউ আমার জন্য অপেক্ষা না করলেও,মসজিদে রাখা সেই খাটটি ঠিকই অপেক্ষা করছে! 03.আমার মারণাস্ত্র, তোমার হাসি, নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও, তোমায় ভালোবাসি! 04.জানি কিছু ভাস্বর চিরকাল উজ্জ্বল থাকে, চির অমলিন- তুমি চলে গেলে তবু থাকবে আমার তুমি, চিরায়ত তুমি! অনুপস্থিতি হবে আমার একলা ঘর,আমার বসতি! ফিরে যাবো সংগোপনে,জানবে না,চিনবে না কেউ; উঠানে জন্মাবো কিছু হাহাকার,অনিদ্রার গান- আর লোকে দেখে ভাববে - বিরহ বাগান,ঐ উঠোনে তো বেশ মানিয়েছে! Facebook Romantic Love Status, Best 100+ Romantic Love Sms Status 05.ভালোবাসা কখনো অসহায় হয় না, বরং যারা নিজেদের অসহায় অনুভব করে, তারাই ভালোবাসার কাছে আশ্রয় খুঁজে। 06.তোমার ঠোঁটে থাকুক প্রেমের ছোঁয়া চোখে থাকুক হাসি, এক পৃথিবীর মানুষ জানুক কেউ একজন আছে তোমার কাছাকাছি! 07.প্রিয় আমার মনের রং শুধু তোমাকে ভালোবাসি প্রিয় তোমার ভালো বাসা আমি প্রিয় আমার ভালোবাসা তুমি প্রিয়! 08.মানুষটা ভালো থাকার জন্য হয়ত নিখোজ হয়ে যায়,তা...

গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা

গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ১ কলেজ এর বারান্দায় বসে বসে কোন বেয়াদব গান গাচ্ছে রে দারা তোর কলার আজ ছিড়ব। আমিঃ ওই কোন হালায় কলার ধরছে রে, একবার ঘুরতে দে নাক ফাটাইয়া দিমু।… (হায় হায় কারে কী বইলা ফালাইছি আমাগো কলেজের প্রিন্সিপ্যাল এর মাইয়া নিধি। যেমন রাগি তেমন সুন্দর আবার তেমনি জেদি।) নিধিঃ ওই কী কইতেছিলি?? আর একবার বল। আমিঃ কই কিছু কই না তো। ( আমি ভয়ে চুপসে গেছি প্রিন্সিপ্যাল ও এই মেয়েরে ভয় পায় আমি তো আম জনতা।) নিধিঃ তন্নয় তোর সাথে আমার কথা আছে। আমিঃ হুম, চল কি কথা। ও হ্যাঁ আমি আর নিধি একই সাথে পড়ি আর আগে থেকেই ভালো ফ্রেন্ড তবু কেমন ভয় লাগে। নিধিকে বললাম এই তো জনমানব শূন্য স্থানে চলে আসছি এখন বল। কি বলবি? নিধিঃ আচ্ছা তুই এমন আমাকে দেখে ভয় করিস কেন? আমিঃ হায় হায় কী বলে মেয়ে। তোর জন্য ২০ টা ছাত্র এর কপালে এই কলেজ সুট করে নাই। আমার নামে যদি কমপ্লেইন করিস তাইলে আমি কই যামু? সেই ভয়ে। হিহি। নিধিঃ ওই ফাজলেমি বাদ দে তো। এখন কই যাবি? আমিঃ কোথাও না সোজা বাসায়। নিধিঃ ও তাহলে নদীর পারে যাবি? আমিঃ ওয়াও, আমার কোন কিছুতে মানা আছে নাকি যেখানে বলবি যখন বলবি চইলা যামু কিন্তু… নিধিঃ আবার কিন্তু কী? ...