সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কষ্টের এসএমএস-কষ্ট এসএমএস-ভালবাসা কষ্টের এসএমএস Sms

01.দূরত্ব বলতে ওইটুকুই, সীমান্তে কাঁটাতার... তুমি সুর হলে,সঙ্গ দিতে- আমি হবো সেতার...

02.নিজের চিৎকার নিজে গিলে ফেলার নামই হচ্ছে সহনশীলতা!

03.ভালোবাসার মানুষ' জীবনে আসার চেয়ে 'ভালো রাখার' মানুষ আসাটা অতন্ত্য জরুরি!

04.যে কোনোদিন দেখেনি তোমার হ্মত শোনেনি তোমার গল্প। তাকে একটা আকাশ দিলেও বলবে, এখানে তারা কেন এত অল্প?

05.বাহিরটা সংযত ভিতরটায় কত ক্ষত, কেউ দেখে না কারো দুঃখবিলাস, কিছু মানুষ বাহিরে বাচেঁ ভিতরে মরে প্রতিনিয়ত!



06.পরিচয় থেকে পরিনয়, প্রত্যাখ্যানেই যত ভয়।

07.কোথা হতে এসেছিলাম কোথায় চলে যাবো । এ জগতের সুখগুলো কি সেই জগতে পাবো !

08.শূন্যতা কি আর পূর্ণতৃপ্তি পাবেনা..!! তবে কি জীবন চলেই যাবে এভাবে.

09.মন থাক আড়ালে মাঝে মাঝে ছুটে আসা-জানি হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় না ভালোবাসা

10.যার চোখে যারে__ লাগে রে ভালো ! সে যে আঁধার রাতের, একশো তারার আলো।

Best Romantic Love Sms,Bangla love sms

11.মানুষের জীবন বিদ্যুতের মত মাঝে মাঝে আমরা জানি না কখন এটা উজ্জ্বল করতে কোন বাধা আসে

12.দুরে গেলে নাকি ভালোবাসা বাড়ে শুনছি কিন্তু এখন দেখছি দুরে গেলে মানুষ আগের মতো থাকে না পরির্বতন হয়ে যায় আর কাছে রাখার জন্য অন্য মানুষ খুঁজে নেয়!

13.কখনো আশা হারিও না, ঝড় মানুষকে আরও শক্তিশালী করে তোলে, এবং দুর্যোগ, দুর্ভোগ চিরকাল স্থায়ী হয় না 

14.মিথ্যা সবসময় সুন্দর, শ্রুতিমধুর ও বিশ্বাসযোগ্য হয়। কারন- চিন্তা করে পরিকল্পনার মাধ্যমে গুছিয়ে বলতে বা উপস্থাপন করতে হয়। সত্য- অসুন্দর, তেতো, কঠোর, অবিশ্বাস্য।

15.ক্ষমা করো আমি ভালো নেই এলোমেলো হয়ে গেছি, যেন সব হারিয়েছি, হে বসন্ত বিদায়!

16.ভালোবাসা কখনো কাউকে আটকে রাখা শেখায় না ভালোবাসলে স্বাধীনতা দিতে শেখো, বিশ্বাস করতে শেখো, তবেই ভালবাসার প্রতি মর্যাদা দেওয়া হয়..-ভালোবাসা কারো ইচ্ছায় হয় না ভালবাসা কারো বাঁধা মানে না ভালবাসা হতে হলে হবেই যে কোনো ভাবে, ভালবাসা কোনো বারণ জানে না

17.নিজেকে তিনটি জিনিস দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করাবেন না: মানুষ, অর্থ বা অতীতের অভিজ্ঞতা।

18.কেন জানিনা যে শুধু তোমার কথাই মনে পড়ে তুমি জানো না তো আমার ছিলে কত যে আপনার সে স্মৃতি দু’চোখ বেয়ে অশ্রু হয়ে অঝোর ঝরে।। যে কথা বলব তোমায় ছিল আশা সে কথা বলতে কেন পাই নি ভাষা সে যেন বোবা হয়ে রয়ে রয়ে কেঁদে মরে।। কত যে তোমায় বেসেছিলাম ভালো সে কি আজ ভাঙা ঘরে চাঁদের আলো ?

19.এ হৃদয় যখন আমার মুখর হল সে কেন কাছে এসে হারিয়ে গেল!

20.হাসি, কান্না এগুলো ব্যাক্তিগত কেউ কাঁদছে না মানে তার যে কান্না পাচ্ছে না এমনটা নয়,আবার কেউ হাসছে না মানে তার যে হাসতে ইচ্ছে করে না এমনটাও নয়,

21.হাসি, কান্না এগুলো ব্যাক্তিগত কেউ কাঁদছে না মানে তার যে কান্না পাচ্ছে না এমনটা নয়,আবার কেউ হাসছে না মানে তার যে হাসতে ইচ্ছে করে না এমনটাও নয়,

22.যাই, আবার ফিরেও আসি- মেঘ থেকে অশ্রু বিন্দু ঝরে খুলে যায় দ্বার__ অন্ধকার উঠোনে ফুটে ওঠে, একটি দুটি নয়নতারা... তারার আলোয়- ভাস্বর হয়ে ওঠে আমাদের আঁধার ঘর, তারার পিপাসায়- কেঁপে ওঠে ঘরের গোপন চৌকাঠ...

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?

 বিস্ময়ে আমি প্রায়ই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করতাম, 'তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?!'  সে হাসতো। ছেলেটা নিয়ম করে তার হৃদয়ভাঙ্গার গল্প শোনাতো আমায়।কী সুনিপুণ ভাবে জনৈক ভদ্রমহিলা তার প্রেমিক হৃদয়টিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিলো।আমি তার সব কথাই ভারী মনোযোগ দিয়ে শুনতাম, খুব ভালোবাসতাম তো.. তাই বোধহয়। তার পুরনো দুঃখ, নতুন ব্যর্থতা,  সমসাময়িক দোটানা এবং হঠাৎ হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা পাগলামি, প্রতিটা কথাই আমায় বাধ্য করতো নতুন করে তার প্রেমে পড়তে।  তবুও, সে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আমায় একটি নারীর কথা বলতো।একটি নারী, যে নারী আমি নই, যে নারীকে সে বরং ভালোবেসেছে, ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে গেছে, যে নারীকে নিয়ে সে জীবন কাটাতে চেয়েছিলো৷ এমন একটি নারী, যে আমি নই, যে কখনো আমি হবো না।  আমি সব শুনতাম, কখনো অন্যমনস্ক হয়ে, কখনো খুব বিরক্ত হয়ে, কখনোবা ভীষণ কান্না চেপে রেখে।  সে বলতো, আমি খুব সাবধানে চোখের জল মুছতাম, যাতে সে না বোঝে, যাতে সে না জানে।  আর ভাবতাম, এমন পুরুষকে যে নারী ভালোবাসতে পারেনি, সে কি এই ধুলোভরা মর্ত্যের কেউ, নাকি দেবী?  তাকে আমি পাইনি, নতুন করে তা বলার অপেক্ষা বোধ করি রাখে...

কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন !

 কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন ! ভালোবাসা একটি দুরন্ত ঘোড়া । কখন ঘোড়াটি চলতে শুরু, বোঝা যায় না । কোথায় যাচ্ছে, তাও বোঝা যায় না । তারপরেও মানুষ ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে । একটু বেশি করে বললে মানুষ পড়তে চায় । ভালোবাসার শুরু পরিবারের বন্ধন থেকে । বড় হতে হতেই এটি পাওয়ার জন্যে মন মস্তিষ্ক উম্মুক্ত হয়ে থাকে । চাইলেই এটি চাওয়া থেকে যেমন আমরা বের হতে পারি না, তেমনি এটির ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে যেতে একই মন আবার ছুটতে থাকে বিপরীত মুখে । এতো কিছুর পরেও মানুষ ভালোবাসতে চায়, ভালোবাসা পেতে চায় । কিন্তু কি করে বুঝবেন, আপনি সত্যিই কেউকে ভালোবাসেন ! একেকজনের পরিস্থিতির ধরন একেক রকম হলেও আপাত ভাবে কিছু কমন বৈশিষ্ট্য থাকে, যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনি ভালোবাসার জালে পড়ে গেছেন নাকি ভালবাসা আপনাকে জালে ফেলেছে !  এক. ভালোবাসার কোনো কারণ নেই, ভালোবাসার কোনো কারণ থাকতে নেই । ভালোবাসার কারণ খুঁজতে নেই । ভালোবাসেন, এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ । কেন ভালোবাসেন, কারণ জেনে গেলে গেলে ওটা ভালোবাসা নয় । কারণ জেনে গেলে - হয় মানুষটিকে পছন্দ করেন অথবা মানুষটির সাথে সময়টি সাময়িক ভোগ করেন !  দুই. ভালোবাসার মানুষের চোখ...

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২

  গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট-1 নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি আমিঃ ওই মেডাম এইটা আপনার বাবার মতো এসি লাগানো বাড়ি না বুঝলেন এই খানে শুয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে চাঁদ দেখা যায়। দাঁরা আনছি। নিধিঃ ওই কি আনবি নাম বল। আমিঃ আগে আনি তারপর দেখিস। ও দাদু কই গেলা্… দাদুঃ কে রে ডাকে? আমিঃ দাদু আমি তন্নয়। দাদুঃ ওহহ কতদিন পর আসলি ভিতরে যা। আমিঃ যামুনা ১০০ টাকার ফাটাফাটি কয়টা নিয়া আসো তারাতারি। দাদুঃ হুম এই নে ধর। আমিঃ ধরো এই নাও টাকা। দাদাঃ এইটা কে রে আগে তো দেখি নাই। আমিঃ এইটা পরী। উঁরে যাওয়ার সময় আমারে দেইখা নেমে আসছে, আর আমি তোমার জিনিস খাওয়াইতে নিয়া আসছি হি হি। দাদুঃ এইখানে কেন নিয়ে আসছস, রাতে যায়গাটা ভালো না তুই তো জানিস। আমিঃ দুর তুমি টেনসন কইরো না আমি তো আছি নাকি। দাদুঃ আচ্ছা ভালো করে থাকিস। আমিঃ হুম হুম গেলাম। দাদুঃ কোন সমস্যা হলে আমার এই খানে আসিস। নিধিরে নিয়া চলে আসলাম নদীর ধারে বসে পড়লাম। আমিঃ নিধি বেগম এইবার চোখ বন্ধ করেন। নিধিঃ কেন? আমিঃ আরে করো না প্লিজ। নিধিঃ আচ্ছা। আমিঃ চোখ খুলেন এইবার। নিধিঃ ঐ কি এগুলা? আমিঃ সন্দেশ আমার অনেক ভালো লাগে,...