সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যে ছেড়ে যায়,সে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েই ছেড়ে যায়- Best Facebook Status

 যে ছেড়ে যায়,সে নিজেকে গুছিয়ে নিয়েই ছেড়ে যায়।আর ছেড়ে যাওয়াটা একদিন দুদিনের হুটহাট করে সিদ্ধান্ত নেবার ফল নয়,বরং এটা বহুদিন আগের পরিকল্পনা। ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর খুব কাছাকাছি থেকেও কখনই বোঝার উপায় থাকবেনা, মানুষটা একসময় আপনাকে চিরতরে ছেড়ে চলে যাবে।যাবার সময় আপনার উপর কিছু দোষারোপ,নয়তো বড় কোন একটা অজুহাত দেখিয়ে চলে যাবে।যা আপনার কল্পনাতীত।অজুহাত,দোষারোপ,কোনটাই নয়!মূল কথা, মানুষটা আপনার থেকেও ভাল কিছু ডিজার্ব করে,নয়তোবা পেয়ে গেছে।।



ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য কখনই অপেক্ষা করতে নেই।কেননা তারা নিজেকে সাজিয়ে নিয়েই আপনাকে ছেড়ে দিয়েছে।যদি ভেবে থাকেন,মানুষটা একদিন ফিরে আসবে,বা সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে,তাহলে আপনি এখনও সেই বোকাটিই রয়ে গেছেন।কোনকিছুই ঠিক হয়না,কোনকিছুই ফিরে আসেনা।এই সত্যিটাকে মেনে নেবার মনোবল রাখুন।যা হারিয়ে গেছে,সেটা ভেবে নিজেকে অস্বস্তিতে রাখা বন্ধ করুন।একটাবার ভাবুন,গভীরভাবে ভাবুন,যে আপনাকে ছেড়ে গেছে,সে তো ভাল থাকার জন্যই ছেড়ে গেছে,এবং ভাল থাকছেও।তাহলে আপনি কেন ভাল থাকবেন না?আপনি কেন নতুন করে শুরু করতে পারবেন না?
কেউ কারো জন্য থেমে থাকেনা,কেউ কারো জন্য মরে যায়না!যারা কারোর জন্য নিজেকে থামিয়ে রাখে,কারোর জন্য নিজেকে কষ্ট দেয়,সুইসাইড করার মত জঘন্যতম পন্থা অবলম্বন করে,তাদের মত বোকা আর হয়না।জীবনটা একান্তই আপনার,বাচা মরা সবটাই আল্লাহপাকের হাতে।নির্দিষ্ট একটা আয়ূকাল নিয়ে আমরা সবাই পৃথিবীতে এসেছি।কখন মরতে হবে,সবটা ঠিক করে দিবেন উপরওয়ালা।আপনি কেন শুধু শুধু হঠাৎ করে জীবনে আসা একটা মানুষের জন্য নিজেকে শেষ করে দিতে যাবেন?কেউ ছেড়ে যাবার পর আসলে কিছুই শেয় হয়ে যায়না,বরং নতুন করে শুরু করবার সুযোগ দিয়ে যায়,ভাল থাকার পথটা পরিস্কার করে দিয়ে যায়।আপনি যাতে কঠিন আঘাতেও ভেঙ্গে না পড়েন,সেই শিক্ষাটাও দিয়ে যায়।শুধুমাএ সেটাকে মানিয়ে নিতে আমাদের একটু সময় লেগে যায়।
ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলো যদি একসময় ফিরে আসতে চায়,একদমই তাকে আর বিস্বাস করবেন না।কেননা,আপনার মনটা কোন সরকারী পাবলিক প্লেস নয় যে,যে যখন খুশি সেখানে যাবে,কিছুক্ষন আনন্দ ফূর্তি করে, নিজের ইচ্ছামতো আবার বেড়িয়েও যাবে।যে মানুষটা আপনাকে একবার ছেড়ে দিতে পেরেছে,সেই মানুষটা ওই একই কাজ বারবার করবে।মানুষটা আপনার কাছে থেকে যাবার জন্য আসেনি,বরং সামান্য সময়ের জন্য আপনাকে তার ক্ষতটার মলম হিসাবে ব্যবহার করেছে।ক্ষতটা যখনি শুকিয়ে যাবে,তখনি আপনাকে বৃদ্ধাআঙ্গুল দেখিয়ে চিরতরে চলে যাবে।
যে আপনার কাছে থাকবে,সে কোন অজুহাতের দোহাই দেবেনা।আপনার একশোটা দোষের মধ্য থেকে,একটা ভাল গুনকে বেছে নিয়ে আপনার হাতদুটো শক্ত করে ধরে আপনার কাছেই থেকে যাবে।যে আপনার কাছে থাকবেনা,তার অজুহাতের কোন অন্ত থাকবেনা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?

 বিস্ময়ে আমি প্রায়ই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করতাম, 'তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?!'  সে হাসতো। ছেলেটা নিয়ম করে তার হৃদয়ভাঙ্গার গল্প শোনাতো আমায়।কী সুনিপুণ ভাবে জনৈক ভদ্রমহিলা তার প্রেমিক হৃদয়টিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিলো।আমি তার সব কথাই ভারী মনোযোগ দিয়ে শুনতাম, খুব ভালোবাসতাম তো.. তাই বোধহয়। তার পুরনো দুঃখ, নতুন ব্যর্থতা,  সমসাময়িক দোটানা এবং হঠাৎ হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা পাগলামি, প্রতিটা কথাই আমায় বাধ্য করতো নতুন করে তার প্রেমে পড়তে।  তবুও, সে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আমায় একটি নারীর কথা বলতো।একটি নারী, যে নারী আমি নই, যে নারীকে সে বরং ভালোবেসেছে, ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে গেছে, যে নারীকে নিয়ে সে জীবন কাটাতে চেয়েছিলো৷ এমন একটি নারী, যে আমি নই, যে কখনো আমি হবো না।  আমি সব শুনতাম, কখনো অন্যমনস্ক হয়ে, কখনো খুব বিরক্ত হয়ে, কখনোবা ভীষণ কান্না চেপে রেখে।  সে বলতো, আমি খুব সাবধানে চোখের জল মুছতাম, যাতে সে না বোঝে, যাতে সে না জানে।  আর ভাবতাম, এমন পুরুষকে যে নারী ভালোবাসতে পারেনি, সে কি এই ধুলোভরা মর্ত্যের কেউ, নাকি দেবী?  তাকে আমি পাইনি, নতুন করে তা বলার অপেক্ষা বোধ করি রাখে...

কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন !

 কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন ! ভালোবাসা একটি দুরন্ত ঘোড়া । কখন ঘোড়াটি চলতে শুরু, বোঝা যায় না । কোথায় যাচ্ছে, তাও বোঝা যায় না । তারপরেও মানুষ ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে । একটু বেশি করে বললে মানুষ পড়তে চায় । ভালোবাসার শুরু পরিবারের বন্ধন থেকে । বড় হতে হতেই এটি পাওয়ার জন্যে মন মস্তিষ্ক উম্মুক্ত হয়ে থাকে । চাইলেই এটি চাওয়া থেকে যেমন আমরা বের হতে পারি না, তেমনি এটির ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে যেতে একই মন আবার ছুটতে থাকে বিপরীত মুখে । এতো কিছুর পরেও মানুষ ভালোবাসতে চায়, ভালোবাসা পেতে চায় । কিন্তু কি করে বুঝবেন, আপনি সত্যিই কেউকে ভালোবাসেন ! একেকজনের পরিস্থিতির ধরন একেক রকম হলেও আপাত ভাবে কিছু কমন বৈশিষ্ট্য থাকে, যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনি ভালোবাসার জালে পড়ে গেছেন নাকি ভালবাসা আপনাকে জালে ফেলেছে !  এক. ভালোবাসার কোনো কারণ নেই, ভালোবাসার কোনো কারণ থাকতে নেই । ভালোবাসার কারণ খুঁজতে নেই । ভালোবাসেন, এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ । কেন ভালোবাসেন, কারণ জেনে গেলে গেলে ওটা ভালোবাসা নয় । কারণ জেনে গেলে - হয় মানুষটিকে পছন্দ করেন অথবা মানুষটির সাথে সময়টি সাময়িক ভোগ করেন !  দুই. ভালোবাসার মানুষের চোখ...

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২

  গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট-1 নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি আমিঃ ওই মেডাম এইটা আপনার বাবার মতো এসি লাগানো বাড়ি না বুঝলেন এই খানে শুয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে চাঁদ দেখা যায়। দাঁরা আনছি। নিধিঃ ওই কি আনবি নাম বল। আমিঃ আগে আনি তারপর দেখিস। ও দাদু কই গেলা্… দাদুঃ কে রে ডাকে? আমিঃ দাদু আমি তন্নয়। দাদুঃ ওহহ কতদিন পর আসলি ভিতরে যা। আমিঃ যামুনা ১০০ টাকার ফাটাফাটি কয়টা নিয়া আসো তারাতারি। দাদুঃ হুম এই নে ধর। আমিঃ ধরো এই নাও টাকা। দাদাঃ এইটা কে রে আগে তো দেখি নাই। আমিঃ এইটা পরী। উঁরে যাওয়ার সময় আমারে দেইখা নেমে আসছে, আর আমি তোমার জিনিস খাওয়াইতে নিয়া আসছি হি হি। দাদুঃ এইখানে কেন নিয়ে আসছস, রাতে যায়গাটা ভালো না তুই তো জানিস। আমিঃ দুর তুমি টেনসন কইরো না আমি তো আছি নাকি। দাদুঃ আচ্ছা ভালো করে থাকিস। আমিঃ হুম হুম গেলাম। দাদুঃ কোন সমস্যা হলে আমার এই খানে আসিস। নিধিরে নিয়া চলে আসলাম নদীর ধারে বসে পড়লাম। আমিঃ নিধি বেগম এইবার চোখ বন্ধ করেন। নিধিঃ কেন? আমিঃ আরে করো না প্লিজ। নিধিঃ আচ্ছা। আমিঃ চোখ খুলেন এইবার। নিধিঃ ঐ কি এগুলা? আমিঃ সন্দেশ আমার অনেক ভালো লাগে,...