সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জীবনের গল্প-বিশ্বাসঘাতকতার শহরে।

 আমার আম্মু যখন বাবার বিপত্নীক বন্ধুর সাথে পালিয়ে যায় তখন আমার বয়স ৭বছর, আমার নাম চয়ন।আর আমার বড়  বোন চারুর বয়স ১২বছর,আমি তাকে চারুবু বলেই ডাকতাম, যদিও শুনতো না কারন ও ছিলো বাক প্রতিবন্ধি, কথা না  পারতো বলতে  আর না পারতো  শুনতে।



জীবনে একটা পুরুষ মানুষকে আমি খুব কাদতে দেখছি কিন্তু তা সবার আরালে। সবার সামনে ঠিক থাকলেও আরালে সে কাদতো সবাই যখন গভীর ঘুমে হারিয়ে যেতো সে তখন পুরোনো স্মৃতিকে আকরে ধরে কাদতেন, আর সে হলো আমার বাবা। বেসরকারি একটা প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন বলেই একটু সুনাম ছিলো।মাইনে বেশি না থাকলেও সুনামটা বেশ ছিলো, সবাই মাস্টার বলেই ডাকতো, আর মানুষটাও নিত্তান্তই ভদ্র লোক ছিলেন,তাই সবাই সম্মান করতো কিন্তু যখন আমার আম্মু পর পুরুষের সাথে পালিয়ে গেলো তখন আমার আব্বুর সন্মান মাটির সাথে মিশে যায়,যা নয় তাই বলতো সবাই।মা নিজের পদ তলে বাবা সারা জীবনের অর্জিত সম্মান পিসে নিজের প্রেমিকের সাথে চলে যায়, সে ভাবেনি যে তার দুটি সন্তান আছে, তার সাজানো গুছানো একটা সংসার আছে। বাবার কাছের যারা প্রাইবেট পড়তে আসতো কেউ এখন আর আসেনা,কারন তার বউ চলে গেছে সে খারাব।কেউ এটা ভাবেনি যে যে মানুষটার বউ বিশ্বাস ঘাতকতা করে কত বছরের তিলে তিলে গড়া সংসার ফেলে চলে গেল তখন সেই লোকটার মন কেমন করে, কি চলে তার মনের মধ্যে। এতো সব প্রতিকুল পরিবেশেও কখোনো আমাদের দু ভাইবোনকে ছেড়ে দেননি,সব সময় বুকে আগলে রেখেছেন,আদর্শ পিতার ভুমিকা তিনি পালন করে গেছেন।

মা না থাকায় চারুবু আমার অনেক খেয়াল রাখতো যা আমার মায়ের চেয়েও বেশি মনে হতো। কথা না বলতে পারলেও সেও বুঝতো যে মা কোথায় গেছে। 

  

আমার মা আর বাবার সেই বন্ধুর সাথে আগে থেকেই ঘনিষ্টতা ছিলো যা কাকা কাকি আগে বললেও বাবা বলতো নিরুর প্রতি আমার যথেষ্ট বিশ্বাস আছে, তাই কারো কথায় আমি আমার নিরুর প্রতি অবিশ্বাস করতে পারিনা, আর করেও নি কখোনো।   নিরু আমার আম্মুর নাম।


নানা মুখের নানা রকম কথা শুনে বাবা যেনো হাপিয়ে উঠছিলেন তার জীবনটা যেন দুর্বিষহ হয়ে উঠছিলো। মানুষ যেনো এই ঘটনাটা ভুলতেই পারে না, সকল চায়ের দোকানে আমার মা বাবাকে নিয়ে বাজে কথা সমালোচনা করা হতো।বাবা চাইলেও কারো মুখ বন্ধ করতে পারতো না ।সব শুনেও বাবা না শোনার মতো করে মাথা নিচু করে হেটে আসতো, কারন বলার মতো উত্তর কিছু ছিলো না তার কাছে। বাবা একবার আমাকে নিয়ে দোকানে গিয়েছিলো দোকানে বসা ছিলো  বাবাকে দেখেই বললো কি মিয়া শুনলাম বউ নাকি ভাগছে, বাবা বললেন ভাই আমার ছেলেটা সাথে কিছু বলিয়েন না। এতে যেনো লোকটা আরো মজা পেয়ে গেলো সে খুটিয়ে খুটি প্রশ্ন করতে লাগলো বাবাকে, বাবা খুব তারাহুরো করেই বাবা আমাকে নিয়ে চলে এসেছিলেন।কিছু দুর আসার পর শুনতে পেলাম তারা অট্টহাসিতে ফেটে পড়ছিলো, আর বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে চোখের কোনে ছোট্টো জলের কনা দেখতে পেয়েছিলাম,। 

একদিন রাতে বাবা আমাদের দুই ভাইবোনকে কাছে ডেকে আমাকে বললো বাজান তোর বাপটারে ক্ষমা কইরা দিস , সেদিন সাহসের অভাবে বাবাকে বলতে পারিনি যে বাবা তুমি আমার সেরা বাবা, দুনিয়ায় সবার থেকে তোমাকে ভালোবামি বাবা,অনেক বেশি ভালোবাসি তোমাকে। সেই বলতে না পারাটা যে সারাজীবনের জন্য হারাবো তা বুঝতে পারি যখন সকালে উঠনের আমা গাছের সাথে ঝুলন্ত দেহ দেখি, চারুবু দৌরে জাপটে ধরে ছিলো বাবাকে কিন্তু আমি কাদিনি পাথর হয়ে গিয়েছিলাম চারুবু আমাকে বুকে চেপেই রেখেছিলেন আর কাদছিলেন নিরবে শুধু আ আ শব্দ ছাড়া কিছুই বের হয়না ওর মুখ থেকে। বাবাকে যখন দাফন করে চলে আসছি তখন হাউমাউ করে কেদে ফেলেছিলাম বাবাকে দেখতে না পেয়ে।গগন বিদারী  চিৎকার দিয়ে কাদছিলাম কিন্তু তা আমার মায়ের কান ওব্দি পৌছায়নি, সেদিন বুঝতে পেরেছিলাম একটা সুখের সংসার নস্ট করতে একজন নারীই যথেষ্ট।


বাবা চলে যাওয়ার পর আমাদের প্রায় খাওয়া দাওয়াই বন্ধ হয়ে যায়, কে দিবে ভাত আমাদের,চাচি একবেলা দিলে দুই বেলা না থেয়ে থাকতে হয় চারুবু ওর খাবার রেখে দিয়ে দুই বেলা আমাকে খেতে দিতো খাইয়ে দিতো আমাকে, গোসল করাতো, ঘুম পারিয়ে দিতো আমার সব দায়িত্ব  চারুবুই পালন করতো।সে বুঝতে পেরেছিলো যে ছোটো ভাইটার সে ছাড়া আর কেউ নেই। 

একদিন রাতে খুব ক্ষুদা লাগায় চারুবুকে ইসারায় বললাম  আমার খুব ক্ষুদা পেয়েছে শুনে চারুবু আমাকে ইসারায় বুঝিয়ে দিলো ও ব্যবস্থা করছে ও চাচির কাছে গেলো, কিছুক্ষন পর চিৎকারের শব্দে দৌরে গিয়ে দেখি চারুবুকে চাচি মারছে দৌরে গিয়ে চাচির পা ধরে বললাম চাচি আমাদের  খাবার লাগবে না ছেড়ে দাও দয়া করে আমার চারুবুকে মেরো না কিন্তু চাচি ছাড়েনি আমাদের চাচি ইচ্ছা মতো মারে আমাদের দুই ভাইবোনকে,চাচি আমাকে মারতে গেলে চারুবু আমাকে জরিয়ে ধরে যাতে আমার গায়ে অাঘাত না লাগে,  মার খেয়ে ব্যাথায় কুকরে গেছিলাম দুইভাইবোন, চারুবু ইসারায় আমাকে বুঝিয়ে দিলো, ভাইরে আমাদের তো আর দুনিয়ায় কেউ নাইরে  কে দিবে খাবার, কেউ দিবে না আমাদের। জরাজরি করে খুব কেদেছিলাম দুই ভাইবোন তবুও খাবার পাইনি। মা কে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করছিলো মা গো তুমি কি খুব সুখে আছো আমাদের ছেড়ে। 

সেই রাতেই সবার অগচরে চলে এসেছিলাম  অজানা শহরের উদ্দেশ্য। 


রাতের বেলা যখন দুভাইবোনে  হাত ধরে হাটছিলাম তখন আমাদের সামনে এসে একটা গাড়ি প্রচন্ড গতিতে এসে ব্রেক করে,  আমরা দুজনেই খুব ভয় পেয়ে যাই কারন শুনেছি গাড়িতে বাচ্চাদের পাচার করে বিকলাঙ্গ করে ভিক্ষা করায়, বিদেশে পাঠায়। দেখলাম গাড়ি থেকে একজন ভদ্রলোক বের হয় আমাদের কাছে আসতেই আমরা দৌর দিতে চাই কিন্তু সে আমাদের ধরে ফেলে তারপর বলে যে তোমরা এতো রাতে এই মাঝ রাস্তা কি করো একটু হলেই তো গাড়ির নিচে চাপা পড়তে। ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমরা রাস্তার মাঝ খানে চলে গেছি। লোকটার কথা শুনে ভালো মানুষই মনে হলো সে বললো তোমাদের বাসা কোথায়, চারুবু তো শুনতে পায়না তাই আমি বললাম আমাদের বাড়ি নেই রাস্তায় থাকি আর ভিক্ষা করি। লোকটা কি যেনো ভাবলো তারপর বললো,


আচ্ছা তোমরা আমার সাথে যাবে আমার বাড়িতে আমার মেয়ের সাথে থাকবে আর বাসার কিছু কাজ করে দেবে, আমি রাজি হলেও চারুবু না করলো তাই বুঝালাম যে রাস্তায় আরো বিপদ হবে আমাদের আর এই মানুষটাকে খারাব মনে হচ্ছে না চলো চারুবু। তারপর রাজি হয়ে তাকে বিশ্বাস করে উঠলাম তার গাড়িতে ।  গাড়ি থেকে যখন নামলাম দেখলাম বিশাল বড় বাড়ি, ভাবলাম ভাগ্য হয়তো ফিরেছে আমাদের । বাড়িতে ঢোকা মাত্রই একটা আমার বয়সি মেয়ে দৌরে আসলো পাপা বলে ওই লোকটাকে জরিয়ে ধরলো, পরিচয় করিয়ে দিলেন যে ও হচ্ছে তার মেয়ে নিলা।ভালোই মিলে গেলো আমাদের, নিলা কখোনই আমাদের ভাইবোনকে অবজ্ঞা করতো না। নিলার বাবাকে আমি মামা বলে ডাকতাম কারন তার কোনো বোন ছিলো না কোনো ভাগনা ভাগনিও ছিলো না আমাদের আপন ভাগনা ভাগনির মতোই ভাবতো।চারুবু মামানির কাজে সাহায্য করতো বাসার কাজও করে দিতো তাতেও কোনো কস্ট ছিলো না কারন মাথার ওপর বিশ্বস্ত ছাদ ছিলো তাই। 


দেখতে দেখতে কেটে গেলো আরো ৫ বছর খুব সুখেই ছিলাম। চাচা চাচির কথা মায়ের কথা মনেই পড়েনি তবে বাবাকে খুব মিস করতাম। চারুবু লেখাপড়া তেমন না করলেও আমি আর নিলা লেখাপড়া করতাম। চারুবু সব সময় আমাকে নিয়ে পড়ে থাকতো কারন আমাকে অনেক ভালোবাসতো সকল খেয়াল রাখতো মায়ের মতো করে, কিন্তু মাঝে মাঝে চারুবুকে মন খারাব করে ছাদে দারিয়ে থাকতে দেখতাম ইসারায় জিজ্ঞাসা করলে বলতো যে বাবার কথা খুব মনে পড়ছে, মনে পড়ছে পুরোনো দিনেই সেই স্মৃতি কথা । তারপর চুপ করে  দাড়িয়ে থাকতাম দুই ভাইবোন মিলে। আকাশে তাকিয়ের তারার মাঝে বাবাকে খুজতাম। 

হঠাৎ একদিন সকালে যা দেখলাম তাতে আমার অন্তরাত্তাটা কেপে উঠলো........ (চলবে)


বিশ্বাসঘাতকতার শহরে।

পর্ব :১ম


(ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?

 বিস্ময়ে আমি প্রায়ই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করতাম, 'তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?!'  সে হাসতো। ছেলেটা নিয়ম করে তার হৃদয়ভাঙ্গার গল্প শোনাতো আমায়।কী সুনিপুণ ভাবে জনৈক ভদ্রমহিলা তার প্রেমিক হৃদয়টিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিলো।আমি তার সব কথাই ভারী মনোযোগ দিয়ে শুনতাম, খুব ভালোবাসতাম তো.. তাই বোধহয়। তার পুরনো দুঃখ, নতুন ব্যর্থতা,  সমসাময়িক দোটানা এবং হঠাৎ হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা পাগলামি, প্রতিটা কথাই আমায় বাধ্য করতো নতুন করে তার প্রেমে পড়তে।  তবুও, সে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আমায় একটি নারীর কথা বলতো।একটি নারী, যে নারী আমি নই, যে নারীকে সে বরং ভালোবেসেছে, ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে গেছে, যে নারীকে নিয়ে সে জীবন কাটাতে চেয়েছিলো৷ এমন একটি নারী, যে আমি নই, যে কখনো আমি হবো না।  আমি সব শুনতাম, কখনো অন্যমনস্ক হয়ে, কখনো খুব বিরক্ত হয়ে, কখনোবা ভীষণ কান্না চেপে রেখে।  সে বলতো, আমি খুব সাবধানে চোখের জল মুছতাম, যাতে সে না বোঝে, যাতে সে না জানে।  আর ভাবতাম, এমন পুরুষকে যে নারী ভালোবাসতে পারেনি, সে কি এই ধুলোভরা মর্ত্যের কেউ, নাকি দেবী?  তাকে আমি পাইনি, নতুন করে তা বলার অপেক্ষা বোধ করি রাখে...

কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন !

 কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন ! ভালোবাসা একটি দুরন্ত ঘোড়া । কখন ঘোড়াটি চলতে শুরু, বোঝা যায় না । কোথায় যাচ্ছে, তাও বোঝা যায় না । তারপরেও মানুষ ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে । একটু বেশি করে বললে মানুষ পড়তে চায় । ভালোবাসার শুরু পরিবারের বন্ধন থেকে । বড় হতে হতেই এটি পাওয়ার জন্যে মন মস্তিষ্ক উম্মুক্ত হয়ে থাকে । চাইলেই এটি চাওয়া থেকে যেমন আমরা বের হতে পারি না, তেমনি এটির ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে যেতে একই মন আবার ছুটতে থাকে বিপরীত মুখে । এতো কিছুর পরেও মানুষ ভালোবাসতে চায়, ভালোবাসা পেতে চায় । কিন্তু কি করে বুঝবেন, আপনি সত্যিই কেউকে ভালোবাসেন ! একেকজনের পরিস্থিতির ধরন একেক রকম হলেও আপাত ভাবে কিছু কমন বৈশিষ্ট্য থাকে, যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনি ভালোবাসার জালে পড়ে গেছেন নাকি ভালবাসা আপনাকে জালে ফেলেছে !  এক. ভালোবাসার কোনো কারণ নেই, ভালোবাসার কোনো কারণ থাকতে নেই । ভালোবাসার কারণ খুঁজতে নেই । ভালোবাসেন, এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ । কেন ভালোবাসেন, কারণ জেনে গেলে গেলে ওটা ভালোবাসা নয় । কারণ জেনে গেলে - হয় মানুষটিকে পছন্দ করেন অথবা মানুষটির সাথে সময়টি সাময়িক ভোগ করেন !  দুই. ভালোবাসার মানুষের চোখ...

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২

  গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট-1 নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি আমিঃ ওই মেডাম এইটা আপনার বাবার মতো এসি লাগানো বাড়ি না বুঝলেন এই খানে শুয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে চাঁদ দেখা যায়। দাঁরা আনছি। নিধিঃ ওই কি আনবি নাম বল। আমিঃ আগে আনি তারপর দেখিস। ও দাদু কই গেলা্… দাদুঃ কে রে ডাকে? আমিঃ দাদু আমি তন্নয়। দাদুঃ ওহহ কতদিন পর আসলি ভিতরে যা। আমিঃ যামুনা ১০০ টাকার ফাটাফাটি কয়টা নিয়া আসো তারাতারি। দাদুঃ হুম এই নে ধর। আমিঃ ধরো এই নাও টাকা। দাদাঃ এইটা কে রে আগে তো দেখি নাই। আমিঃ এইটা পরী। উঁরে যাওয়ার সময় আমারে দেইখা নেমে আসছে, আর আমি তোমার জিনিস খাওয়াইতে নিয়া আসছি হি হি। দাদুঃ এইখানে কেন নিয়ে আসছস, রাতে যায়গাটা ভালো না তুই তো জানিস। আমিঃ দুর তুমি টেনসন কইরো না আমি তো আছি নাকি। দাদুঃ আচ্ছা ভালো করে থাকিস। আমিঃ হুম হুম গেলাম। দাদুঃ কোন সমস্যা হলে আমার এই খানে আসিস। নিধিরে নিয়া চলে আসলাম নদীর ধারে বসে পড়লাম। আমিঃ নিধি বেগম এইবার চোখ বন্ধ করেন। নিধিঃ কেন? আমিঃ আরে করো না প্লিজ। নিধিঃ আচ্ছা। আমিঃ চোখ খুলেন এইবার। নিধিঃ ঐ কি এগুলা? আমিঃ সন্দেশ আমার অনেক ভালো লাগে,...