সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কে তুমি? নিজেকে চিনো-নিজেকে জানো(অনুপ্রেরণা ও সফলতার গল্প)

 ব্যার্থতায় জরাজীর্ণ, হতাশায় ক্লান্ত পথিক , অশান্ত মনে হেরে যাওয়ার আহাজারি ,ভেঙে খান খান হয়ে যাওয়া ভাংচুর হৃদয়ে অপদার্থের ট্যাগ লাগিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছো ... তাই তো 



লাভ নাই ..!  লাভ নাই 

এই পরিস্থিতিতে দাঁড়ানোর জন্য দায়ী তুমি নিজেই , দায়বদ্ধতা তোমার নিজের , নিজেই নিজেকে ছোবল মেরেছো বিষাক্ত ভাবে , রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ কাঁপন ধরিয়ে তোমাকে রিভেঞ্জ হিসেবে ফিরিয়ে দিচ্ছে , তোমার সাথে তোমার নিজেকে করা অবহেলা গুলো , এটা তুমি মানলে ও সত্যি না মানলে ও সত্যি ..!!


আমি ডি মোটিভেট করতেছিনা তোমাকে , তবে তুমি নিজেকে না যতক্ষন নিজে মোটিভেট করতে পারতেছো তুমি নিজেকে কখনোই গুছিয়ে নিতে পারবে না ..!!


গত কাল কি করেছো ,তারফল আজ অথবা পরশু পাবে , যদি সেটা ভালো হয় ভালো খারাপ হলে খারাপ ..!! তবে তুমি চাইলে আজ ভালো কিছু করে কাল ভালো কিছুর প্রত্যাশা করতেই পারো ..!! প্রতিটি মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করার স্পেসিফিক পাওয়ার নিয়ে জন্মায় , তুমি সেই পাওয়ার ইউজিলাইজ না করলে তুমি কখনোই নিজেকে এই মানসিক ডিপ্রেশন থেকে বের করতে পারবা না ..!  একটাই ওয়ে একটাই রাস্তা , নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করা তৈরি করা ..!!


আমি ধরে নিলাম তোমার বয়স ১৯-২০ ওকে ফাইন ২০ বছর ধরে ভুল আর ভুল ই করেছো , কখনো ঠিক করোনি ...! বাট স্টিল নাও নিয়্যাত করো নিজেকে  একটু একটু করে পরিবর্তন করার চেষ্টা করো ..!! দেখবা কাল থেকে সুন্দর কিছু হচ্ছে তোমার সাথে ..!!


স্টাডি করোনি সামনে এডমিশন ওকে যা হয়েছে হয়েছে এখন থেকে কোপ দাও দেখবা তোমার পরিবর্তন তোমাকে ঠকাবে না ..!! বাট স্টার্গল টা ইউনিক হতে হবে অবশ্যই ..!


জীবনের যত ক্ষেত্রে সমস্যা আছে , জীবনের প্যাটার্ন টা পরিবর্তন করো ,সব আপনা আপনি সুন্দর হয়ে যাইবো ..!!  মানসিক ভাবে তিলে তিলে শেষ হবার থেকে বেটার নিজেকে নতুন করে শুরু করতে দেওয়া ..!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?

 বিস্ময়ে আমি প্রায়ই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করতাম, 'তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?!'  সে হাসতো। ছেলেটা নিয়ম করে তার হৃদয়ভাঙ্গার গল্প শোনাতো আমায়।কী সুনিপুণ ভাবে জনৈক ভদ্রমহিলা তার প্রেমিক হৃদয়টিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিলো।আমি তার সব কথাই ভারী মনোযোগ দিয়ে শুনতাম, খুব ভালোবাসতাম তো.. তাই বোধহয়। তার পুরনো দুঃখ, নতুন ব্যর্থতা,  সমসাময়িক দোটানা এবং হঠাৎ হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা পাগলামি, প্রতিটা কথাই আমায় বাধ্য করতো নতুন করে তার প্রেমে পড়তে।  তবুও, সে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আমায় একটি নারীর কথা বলতো।একটি নারী, যে নারী আমি নই, যে নারীকে সে বরং ভালোবেসেছে, ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে গেছে, যে নারীকে নিয়ে সে জীবন কাটাতে চেয়েছিলো৷ এমন একটি নারী, যে আমি নই, যে কখনো আমি হবো না।  আমি সব শুনতাম, কখনো অন্যমনস্ক হয়ে, কখনো খুব বিরক্ত হয়ে, কখনোবা ভীষণ কান্না চেপে রেখে।  সে বলতো, আমি খুব সাবধানে চোখের জল মুছতাম, যাতে সে না বোঝে, যাতে সে না জানে।  আর ভাবতাম, এমন পুরুষকে যে নারী ভালোবাসতে পারেনি, সে কি এই ধুলোভরা মর্ত্যের কেউ, নাকি দেবী?  তাকে আমি পাইনি, নতুন করে তা বলার অপেক্ষা বোধ করি রাখে...

কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন !

 কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন ! ভালোবাসা একটি দুরন্ত ঘোড়া । কখন ঘোড়াটি চলতে শুরু, বোঝা যায় না । কোথায় যাচ্ছে, তাও বোঝা যায় না । তারপরেও মানুষ ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে । একটু বেশি করে বললে মানুষ পড়তে চায় । ভালোবাসার শুরু পরিবারের বন্ধন থেকে । বড় হতে হতেই এটি পাওয়ার জন্যে মন মস্তিষ্ক উম্মুক্ত হয়ে থাকে । চাইলেই এটি চাওয়া থেকে যেমন আমরা বের হতে পারি না, তেমনি এটির ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে যেতে একই মন আবার ছুটতে থাকে বিপরীত মুখে । এতো কিছুর পরেও মানুষ ভালোবাসতে চায়, ভালোবাসা পেতে চায় । কিন্তু কি করে বুঝবেন, আপনি সত্যিই কেউকে ভালোবাসেন ! একেকজনের পরিস্থিতির ধরন একেক রকম হলেও আপাত ভাবে কিছু কমন বৈশিষ্ট্য থাকে, যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনি ভালোবাসার জালে পড়ে গেছেন নাকি ভালবাসা আপনাকে জালে ফেলেছে !  এক. ভালোবাসার কোনো কারণ নেই, ভালোবাসার কোনো কারণ থাকতে নেই । ভালোবাসার কারণ খুঁজতে নেই । ভালোবাসেন, এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ । কেন ভালোবাসেন, কারণ জেনে গেলে গেলে ওটা ভালোবাসা নয় । কারণ জেনে গেলে - হয় মানুষটিকে পছন্দ করেন অথবা মানুষটির সাথে সময়টি সাময়িক ভোগ করেন !  দুই. ভালোবাসার মানুষের চোখ...

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২

  গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট-1 নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি আমিঃ ওই মেডাম এইটা আপনার বাবার মতো এসি লাগানো বাড়ি না বুঝলেন এই খানে শুয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে চাঁদ দেখা যায়। দাঁরা আনছি। নিধিঃ ওই কি আনবি নাম বল। আমিঃ আগে আনি তারপর দেখিস। ও দাদু কই গেলা্… দাদুঃ কে রে ডাকে? আমিঃ দাদু আমি তন্নয়। দাদুঃ ওহহ কতদিন পর আসলি ভিতরে যা। আমিঃ যামুনা ১০০ টাকার ফাটাফাটি কয়টা নিয়া আসো তারাতারি। দাদুঃ হুম এই নে ধর। আমিঃ ধরো এই নাও টাকা। দাদাঃ এইটা কে রে আগে তো দেখি নাই। আমিঃ এইটা পরী। উঁরে যাওয়ার সময় আমারে দেইখা নেমে আসছে, আর আমি তোমার জিনিস খাওয়াইতে নিয়া আসছি হি হি। দাদুঃ এইখানে কেন নিয়ে আসছস, রাতে যায়গাটা ভালো না তুই তো জানিস। আমিঃ দুর তুমি টেনসন কইরো না আমি তো আছি নাকি। দাদুঃ আচ্ছা ভালো করে থাকিস। আমিঃ হুম হুম গেলাম। দাদুঃ কোন সমস্যা হলে আমার এই খানে আসিস। নিধিরে নিয়া চলে আসলাম নদীর ধারে বসে পড়লাম। আমিঃ নিধি বেগম এইবার চোখ বন্ধ করেন। নিধিঃ কেন? আমিঃ আরে করো না প্লিজ। নিধিঃ আচ্ছা। আমিঃ চোখ খুলেন এইবার। নিধিঃ ঐ কি এগুলা? আমিঃ সন্দেশ আমার অনেক ভালো লাগে,...