সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা

গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ১

কলেজ এর বারান্দায় বসে বসে কোন বেয়াদব গান গাচ্ছে রে দারা তোর কলার আজ ছিড়ব।
আমিঃ ওই কোন হালায় কলার ধরছে রে, একবার ঘুরতে দে নাক ফাটাইয়া দিমু।… (হায় হায় কারে কী বইলা ফালাইছি আমাগো কলেজের প্রিন্সিপ্যাল এর মাইয়া নিধি। যেমন রাগি তেমন সুন্দর আবার তেমনি জেদি।)
নিধিঃ ওই কী কইতেছিলি?? আর একবার বল।
আমিঃ কই কিছু কই না তো। ( আমি ভয়ে চুপসে গেছি প্রিন্সিপ্যাল ও এই মেয়েরে ভয় পায় আমি তো আম জনতা।)
নিধিঃ তন্নয় তোর সাথে আমার কথা আছে।
আমিঃ হুম, চল কি কথা।


ও হ্যাঁ আমি আর নিধি একই সাথে পড়ি আর আগে থেকেই ভালো ফ্রেন্ড তবু কেমন ভয় লাগে।
নিধিকে বললাম এই তো জনমানব শূন্য স্থানে চলে আসছি এখন বল। কি বলবি?
নিধিঃ আচ্ছা তুই এমন আমাকে দেখে ভয় করিস কেন?
আমিঃ হায় হায় কী বলে মেয়ে। তোর জন্য ২০ টা ছাত্র এর কপালে এই কলেজ সুট করে নাই। আমার নামে যদি কমপ্লেইন করিস তাইলে আমি কই যামু? সেই ভয়ে। হিহি।
নিধিঃ ওই ফাজলেমি বাদ দে তো। এখন কই যাবি?
আমিঃ কোথাও না সোজা বাসায়।
নিধিঃ ও তাহলে নদীর পারে যাবি?
আমিঃ ওয়াও, আমার কোন কিছুতে মানা আছে নাকি যেখানে বলবি যখন বলবি চইলা যামু কিন্তু…
নিধিঃ আবার কিন্তু কী?
আমিঃ আমারে খাওয়াইতে হইবো। তা না হলে কিন্তু যাবো না।
নিধিঃ ওকে ওকে যা যা খাইতে পারবি সব খাওয়ামু
আমিঃ আচ্ছা। আজকে হঠাত তোর মন এমন কেন রে হুমমম?? বিএফ ছেকা দিছে বুঝি?
নিধিঃ ওই হারামি কোনদিন আমি কোন পোলারে পাত্তা দিছি হম্ম?
আমিঃ না দিস নাই ঠিক, কিন্তু আপনার এমন মন খারাপ থাকলে যে আকাশ ফেটে বৃষ্টি আসবে গো। একটু সুইট হাসি দেন।
নিধিঃ হিহিহিহি হইছে চল এখন।
মনে মনে ভাবছি মাইয়া গো মন বড়ই বিচিত্র আগে কেমন দাঙ্গাল ছিল আজ কতো কিউট।
আমিঃ দোস্ত একটা আইসক্রিম খামু টেকা দে।
নিধিঃ এই নে ধর।
আমিঃ ও মা গো ১০০০ টাকার নোট আমি আমার জন্মে মাত্র দুইটা দেখছি। তবু এইটা ২য় তম। না থাক খামু না।
নিধিঃ ওই যা বলছি, আর আমার জন্য ও একটা আনিস।
চলে গেলাম আইসক্রিম আনতে।
কিছুক্ষন পর…
আমিঃ এই যে দুধ আইসক্রিম নিয়ে আসছি এই নে ধর।
নিধিঃ তন্নয় আজকে অনেক দুরে কোথাও নিয়ে যাবি? যেখানে কোন মানুষ থাকবে না, সেইখানে।
আমিঃ (কী হলো আজকে মেয়েটার) আচ্ছা নিয়া যামু কিন্তু রাত হোলে ওখান থেকে আসা যাবে না রাতে থাকতে হবে। তখন তোর বাপ যদি কিছু কয় তাইলে?
নিধিঃ বাবার চিন্তা করিস না আমি বাবাকে বলে দিবো।
আমিঃ না মেডাম হইবো না এখনি বলেন।
নিধিঃ আচ্ছা থাম করছি। …… হেলো বাবা আজকে আমি এক আন্টির বাসায় থাকব। হইছে? এইবার শান্তি?
আমিঃহম্ম অনেক।
শহর থেকে প্রায় ২০ কি.মি দূরে একটা সুন্দর গ্রাম ওরে নিয়া গেলাম। আসলেই গ্রামটা অনেক সুন্দর একটা নদী আছে নদীএর পারে কাশ ফুল আছে অনেক। যে কারো মন নিমিষে ভালো হইয়া যাইবো।
নিধিঃ ওয়াও কতো কিউট যায়গা ঠিক তোর মতো।
আমিঃ ওই একটা দিমু…
নিধিঃ বল বল কি দিবি।
আমিঃ হিহি কিছুনা, ৮৫ টাকা দে ফাটাফাটি একটা জিনিস খাওয়ামু।
নিধিঃ হম্ম ধির।
আমিঃ হম্ম আমি নিয়া আসি। নদীর ধারে বসেই খাবো। চল।
নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি,

ছোট করে গল্প লিখার জন্য সরি, এর পরের পার্ট হতে বড় করে লিখবো।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?

 বিস্ময়ে আমি প্রায়ই ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করতাম, 'তোমাকেও কেউ ভালো না বেসে পারে?!'  সে হাসতো। ছেলেটা নিয়ম করে তার হৃদয়ভাঙ্গার গল্প শোনাতো আমায়।কী সুনিপুণ ভাবে জনৈক ভদ্রমহিলা তার প্রেমিক হৃদয়টিকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছিলো।আমি তার সব কথাই ভারী মনোযোগ দিয়ে শুনতাম, খুব ভালোবাসতাম তো.. তাই বোধহয়। তার পুরনো দুঃখ, নতুন ব্যর্থতা,  সমসাময়িক দোটানা এবং হঠাৎ হঠাৎ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা পাগলামি, প্রতিটা কথাই আমায় বাধ্য করতো নতুন করে তার প্রেমে পড়তে।  তবুও, সে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আমায় একটি নারীর কথা বলতো।একটি নারী, যে নারী আমি নই, যে নারীকে সে বরং ভালোবেসেছে, ভালোবেসে নিঃস্ব হয়ে গেছে, যে নারীকে নিয়ে সে জীবন কাটাতে চেয়েছিলো৷ এমন একটি নারী, যে আমি নই, যে কখনো আমি হবো না।  আমি সব শুনতাম, কখনো অন্যমনস্ক হয়ে, কখনো খুব বিরক্ত হয়ে, কখনোবা ভীষণ কান্না চেপে রেখে।  সে বলতো, আমি খুব সাবধানে চোখের জল মুছতাম, যাতে সে না বোঝে, যাতে সে না জানে।  আর ভাবতাম, এমন পুরুষকে যে নারী ভালোবাসতে পারেনি, সে কি এই ধুলোভরা মর্ত্যের কেউ, নাকি দেবী?  তাকে আমি পাইনি, নতুন করে তা বলার অপেক্ষা বোধ করি রাখে...

কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন !

 কি করে বুঝবেন আপনি কেউ’কে ভালোবাসেন ! ভালোবাসা একটি দুরন্ত ঘোড়া । কখন ঘোড়াটি চলতে শুরু, বোঝা যায় না । কোথায় যাচ্ছে, তাও বোঝা যায় না । তারপরেও মানুষ ভালোবাসার ফাঁদে পড়ে । একটু বেশি করে বললে মানুষ পড়তে চায় । ভালোবাসার শুরু পরিবারের বন্ধন থেকে । বড় হতে হতেই এটি পাওয়ার জন্যে মন মস্তিষ্ক উম্মুক্ত হয়ে থাকে । চাইলেই এটি চাওয়া থেকে যেমন আমরা বের হতে পারি না, তেমনি এটির ফাঁদে পড়ে বেরিয়ে যেতে একই মন আবার ছুটতে থাকে বিপরীত মুখে । এতো কিছুর পরেও মানুষ ভালোবাসতে চায়, ভালোবাসা পেতে চায় । কিন্তু কি করে বুঝবেন, আপনি সত্যিই কেউকে ভালোবাসেন ! একেকজনের পরিস্থিতির ধরন একেক রকম হলেও আপাত ভাবে কিছু কমন বৈশিষ্ট্য থাকে, যা দেখে বুঝতে পারবেন আপনি ভালোবাসার জালে পড়ে গেছেন নাকি ভালবাসা আপনাকে জালে ফেলেছে !  এক. ভালোবাসার কোনো কারণ নেই, ভালোবাসার কোনো কারণ থাকতে নেই । ভালোবাসার কারণ খুঁজতে নেই । ভালোবাসেন, এটাই প্রধান এবং একমাত্র কারণ । কেন ভালোবাসেন, কারণ জেনে গেলে গেলে ওটা ভালোবাসা নয় । কারণ জেনে গেলে - হয় মানুষটিকে পছন্দ করেন অথবা মানুষটির সাথে সময়টি সাময়িক ভোগ করেন !  দুই. ভালোবাসার মানুষের চোখ...

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২

  গল্পঃ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট ২ বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা পার্ট-1 নিধিঃ ওই ছি ছি। এইটা কই আনলি, কেমন বাড়ি আমিঃ ওই মেডাম এইটা আপনার বাবার মতো এসি লাগানো বাড়ি না বুঝলেন এই খানে শুয়ে শুয়ে নিশ্চিন্তে চাঁদ দেখা যায়। দাঁরা আনছি। নিধিঃ ওই কি আনবি নাম বল। আমিঃ আগে আনি তারপর দেখিস। ও দাদু কই গেলা্… দাদুঃ কে রে ডাকে? আমিঃ দাদু আমি তন্নয়। দাদুঃ ওহহ কতদিন পর আসলি ভিতরে যা। আমিঃ যামুনা ১০০ টাকার ফাটাফাটি কয়টা নিয়া আসো তারাতারি। দাদুঃ হুম এই নে ধর। আমিঃ ধরো এই নাও টাকা। দাদাঃ এইটা কে রে আগে তো দেখি নাই। আমিঃ এইটা পরী। উঁরে যাওয়ার সময় আমারে দেইখা নেমে আসছে, আর আমি তোমার জিনিস খাওয়াইতে নিয়া আসছি হি হি। দাদুঃ এইখানে কেন নিয়ে আসছস, রাতে যায়গাটা ভালো না তুই তো জানিস। আমিঃ দুর তুমি টেনসন কইরো না আমি তো আছি নাকি। দাদুঃ আচ্ছা ভালো করে থাকিস। আমিঃ হুম হুম গেলাম। দাদুঃ কোন সমস্যা হলে আমার এই খানে আসিস। নিধিরে নিয়া চলে আসলাম নদীর ধারে বসে পড়লাম। আমিঃ নিধি বেগম এইবার চোখ বন্ধ করেন। নিধিঃ কেন? আমিঃ আরে করো না প্লিজ। নিধিঃ আচ্ছা। আমিঃ চোখ খুলেন এইবার। নিধিঃ ঐ কি এগুলা? আমিঃ সন্দেশ আমার অনেক ভালো লাগে,...